খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে ২০২৬ এর গ্রুপছবি


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সফল গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা, অ্যালামনাইদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) ‘প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (সিডিসি) আয়োজনে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত এক বছরে দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়া গ্র্যাজুয়েটদের পেশাগত সাফল্য উদযাপন, বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যালামনাইদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানে অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘বেস্ট এমপ্লয়ার’ বা সেরা নিয়োগকর্তা হিসেবে সম্মাননা দেওয়াই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবদুলাল রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহাবুবুল করিম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আর কবির, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, কোষাধ্যক্ষ ড. হামিদুল হক খান এবং রেজিস্ট্রার ড. নাদির বিন আলী।

অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সফল গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে ভিডিও বার্তা দেন।
চাকরিপ্রাপ্ত আমন্ত্রিত গ্র্যাজুয়েটদের অভ্যর্থনা ও নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উদ্বোধনী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বাগত বক্তব্য দেন। এ সময় সফল গ্র্যাজুয়েটরা তাদের কর্মজীবনের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

পরে চাকরিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েটদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ‘স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্র’ থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও শহীদ মিনারের পাশ দিয়ে ‘নলেজ টাওয়ার’-এ গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে ডিআইইউ রোভার স্কাউট ও বিএনসিসি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গ্র্যাজুয়েটদের গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এবারের আয়োজনের অন্যতম বিশেষ দিক ছিল পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। সফল গ্র্যাজুয়েটদের সম্মান জানানোর সময় প্রচলিত ফুলের তোড়ার পরিবর্তে তাদের হাতে ইনডোর ও শোভাবর্ধক উদ্ভিদ তুলে দেওয়া হয়। গ্র্যাজুয়েটদের প্রথাগত ‘স্যাশ’-এর পাশাপাশি দেওয়া এসব উদ্ভিদের মাধ্যমে তাদের সমৃদ্ধি, সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পেশাগত অগ্রগতির শুভকামনা জানানো হয়।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সচেতনতার পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েটদের নিরবচ্ছিন্ন পেশাগত অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

দিনব্যাপী এ আয়োজন ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পেশাগত অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

উখিয়ায় সড়ক দখল করে অবৈধ বাজার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় সড়ক দখল করে অবৈধ বাজার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট

ছবি যোগফল

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী (উখিয়া) কক্সবাজারঃ


কক্সবাজারের উখিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ আরাকান সড়কের কুতুপালং, কোটবাজার, মরিচ্যা, বালুখালী ও থাইংখালী এলাকায় সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ দোকানপাট ও পার্কিং। এতে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রী, শিক্ষার্থী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও সাধারণ পথচারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র সড়কের জায়গা দখল করে দোকান বসানো ও যানবাহন পার্কিংয়ের নামে নিয়মিত টাকা আদায় করছে। প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং যানবাহন পার্কিংয়ের বিপরীতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুতুপালং বাজারের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দোকান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে স্বাভাবিক সময়ে কয়েক মিনিটের পথ পাড়ি দিতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে। দ্রুত সড়ক দখলমুক্ত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

শাহপরী হাইওয়ে পুলিশের এসআই ফজলুল হক জানান, যানজট নিরসনে বাজার সমিতি, ইজারাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও পার্কিং উচ্ছেদে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অবৈধভাবে সড়ক দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আশ্বাস নয়- দ্রুত কার্যকর উচ্ছেদ অভিযান ও স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে উখিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করা হবে।

বাউবি ও IIUM-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউবি ও IIUM-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

ছবি বাউবি

যোগফল প্রতিবেদন ।। অনলাইন

 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া (IIUM)-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা আজ ৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বাউবির মাননীয় উপাচার্যের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যার বিবেচনায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্মুক্ত, দূরশিক্ষণ ও নমনীয় পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানে দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ৬৩টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র ও প্রায় ১,৫০০টি স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে বাউবি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে।

 

সাতটি স্কুলের অধীনে বহুমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গবেষণা, পিএইচডি প্রোগ্রাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাজ করছে। তিনি IIUM-এর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক বিনিময় এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে একটি ফলপ্রসূ, টেকসই ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক একাডেমিক সম্পর্ক গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন”।

 

সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন IIUM এর ডেপুটি রেক্টর (গবেষণা, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আসলাম বিন মোহাম্মদ হানিফ, IIUM অফিস অব দ্য স্ট্র্যাটেজিক ইনস্টিটিউশন ট্রান্সফরমেশন এর প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর প্রফেসর ড. শুকরান বিন আবদ রহমান এবং IIUM অফিস অব দ্য ডেপুটি রেক্টর এর স্পেশাল অফিসার ও সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, উপাচার্যের একান্ত সচিব ও প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনা সভায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সাধনে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।


আইসিএপিপির অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত বিএনপি নেতা ইসমাইল জবিউল্লাহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইসিএপিপির অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত বিএনপি নেতা ইসমাইল জবিউল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) ১৩তম সাধারণ অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের দ্য শিলা সিউল হোটেলে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। দেশটির ক্ষমতাসীন মিনজু (ডেমোক্রেটিক) পার্টি ও বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টি যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সম্মেলনে বিএনপির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। উদ্বোধনের পর প্রথম প্ল্যানারি অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত ও আস্থার সংকট মোকাবিলায় গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে আস্থা পুনর্গঠন’ প্রতিপাদ্যকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারস্পরিক আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনি প্রক্রিয়া নয়, বরং জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রক্ষমতায় দায়িত্ব পালনকারীদের একটি সামাজিক চুক্তি। এর ভিত্তি হতে হবে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা।

ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক বিপর্যয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ভূরাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে মানবজীবনের মর্যাদাকে স্থান দিতে হবে। আন্তর্জাতিক নীতি ও আদর্শ কোনো বৈষম্য ছাড়াই সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

আন্তমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে বিভিন্ন মহাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ইউরোপের অস্থিরতা থেকে এশিয়া বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না, একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাব থেকেও ইউরোপ মুক্ত থাকতে পারে না। বিএনপি এ ধরনের সংলাপে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আগ্রহী।

অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের এমনভাবে অন্য দেশের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা উচিত নয়, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হয়। এ সময় আন্তসীমান্ত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধে আইসিএপিপির কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, বিশ্বের ভবিষ্যৎ কেবল জবরদস্তি কিংবা সম্পদের ওপর নির্ভর করবে না; আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে কতটা সক্ষম, তার ওপরও নির্ভর করবে।

বাংলাদেশ ও বিএনপির পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আস্থা পুনর্গঠনকে শুধু রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে নয়, বরং অভিন্ন ভবিষ্যতের প্রতি স্থায়ী অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের পাঁচটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির প্রতিনিধিদলে ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাড়াও রয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী ও সালাহউদ্দিন আইয়ুবী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মনিরা শারমিন ও মো. আলাউদ্দিন।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মো. মমতাজ উদ্দিন ও মো. আলাহান উদ্দিন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন কেএম বিল্লাল ও মো. রাজন সিকদার।

এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ জোরদার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে অভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে আয়োজিত এ সম্মেলন চলবে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। সম্মেলন-পরবর্তী ৭ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম